জনসংখ্যা ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ll Population Geography Short Answer Type Questions Part-1

 ♦জনসংখ্যা ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর 

(প্রথম পর্ব)

******************************

এখান থেকে পড়ুন 👉 পুঞ্জিত ক্ষয় সম্পর্কে
(1. জনসংখ্যা কাকে বলে ?/জনসংখ্যা ভূগোল কাকে বলে ?
উত্তর> মানবীয় ভূগোলের এক গুরুত্বপূর্ণ উপজীব্য বিষয় হল জনসংখ্যা I কোন একটি নির্দিষ্ট এলাকার একক জনগোষ্ঠীকে জনসংখ্যা বলে I আবার “জনতার গঠন, বন্টন, পরিযান এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি কিভাবে কোন স্থানের সাথে সম্পর্কিত অর্থাত্ স্থানিক পার্থক্য নির্ণয়ই হল জনসংখ্যা ভূগোল I

(2. জন ঘনত্ব কাকে বলে ?
উত্তর> জনসংখ্যার ঘনত্ব হল একটি পরিসংখ্যানগত ধারণা যা মোট জমির আয়তন ও জনসংখ্যার পরিমাণের অনুপাত I অর্থাত্ জনঘনত্ব বলতে বোঝায় কোন অঞ্চলের বা কোন দেশের প্রতি বর্গ কিঃমিঃ তে মোট জনবসতির পরিমাণকে I যেমন ধরা যাক 2011 সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা ছিল 121,01,93,442 জন, ভারতে মোট জমির পরিমাণ 32,87,263 বঃ কিঃমিঃ I এতএব ভারতের জনঘনত্ব হল মোট জনসংখ্যা : মোট জমির পরিমাণ = 382 জন / বঃ কিঃমিঃ I

এখান থেকে পড়ুন 👉 পর্যায়ণ সম্পর্কে

(3. মানুষ-জমি অনুপাত কাকে বলে ?
উত্তর> কোন অঞ্চল বা দেশের মোট জনসংখ্যার সাথে মোট কার্যকর জমির অনুপাতকে বলাহয় মানুষ জমি অনুপাত I ইহা কোন দেশের সম্পদের প্রাচুর্যতা ও স্বল্পতার সূচক I
বৈশিষ্ট :- 1. জনঘনত্ব এবং মানুষ-জমি অনুপাত এক নয় I
2. ইহা জমির উত্পাদন ক্ষমতার উপর নির্ভর করে I
3. ইহা সর্বদা গতিশীল ও পরিবর্তনশীল I

(4. জন ঘনত্ব ও মানুষ-জমি অনুপাতের পার্থক্য কী ?
উত্তর> i. কোন দেশের মোট জমির সাথে মোট জনসংখ্যার অনুপাতকে ঐ দেশের জনঘনত্ব, এবং দেশের মোট জনসংখ্যা ও মোট কার্যকর জমির অনুপাতকে মানুষ-জমি অনুপাত বলে I
ii. জনঘনত্বের দ্বারা দেশের কাম্য জনসংখ্যা এবং পোষণ ক্ষমতা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করা যায় না; কিন্তু মানুষ জমি অনুপাতে তা সম্ভব I
iii. জনঘনত্বে জনবসতির ব্যপকতা ও কার্যকরিতা এবং জমির উপর বন্টন জানা যায়; অপরদিকে মানুষ-জমি অনুপাতে জনবসতির তীব্রতা অর্থাত্ জমি অনুসারে মানুষের চাপ সমন্ধে জানা যায় I
iv. জনঘনত্ব দ্বিমাত্রিক; যেখানে মানুষ-জমি অনুপাতের ধারণা ত্রিমাত্রিক ধারণা I

এখান থেকে পড়ুন 👉 বৃষ্টির জল সংরক্ষণ সম্পর্কে

(5. কাম্য জনসংখ্যা কাকে বলে ?
উত্তর> যে পরিমাণ নির্দিষ্ট জনসংখ্যায় কোন দেশের সম্পদের সুষ্ঠ ও সরল বন্টনের মাধ্যমে সামাজিক অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনের মান উর্ধ সীমায় পৌঁছায় এবং মাথা পিছু আয় সর্বোচ্চ রূপ নেয় সেই জনসংখ্যাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে I কাম্য জনসংখ্যা একটি ধারণা যার মাধ্যমে মানুষজমির অনুপাতকে নির্দিষ্ট করা হয় I এরূপ জনসংখ্যা ইউরোপে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানী, উঃ আমেরিকা জাপান প্রভৃতি দেশে আংশিক লক্ষ্য করা যায় I কাম্য জনসংখ্যা ধারণার প্রবক্তা ক্যানন I

(6. কাম্য জনসংখ্যার বৈশিষ্ট গুলি লিখুন I
উত্তর> অধ্যাপক ক্যানন ও সান্ডর্স প্রণীত কাম্য জনসংখ্যার কয়েকটি বৈশিষ্ট হল -i. এই তত্ব সর্বনিম্ন কল্যাণের স্তরের দ্বারা সূচিত হতে পারে I
ii. এই ধারণায় দেশের মাথাপিছু আয় সর্বাধিক হয় I
iii. এখানে প্রান্তিক উত্পাদন শূন্য এবং মোট উত্পাদন সর্বাধিক I
iv. তত্বটি স্থিতিশীল এবং কোন দেশের কাম্য জনসংখ্যার পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন I
v. এই তত্বে জনসংখা বৃদ্ধির হার সমন্ধে যানা যায় না I

এখান থেকে পড়ুন 👉 বিভিন্ন প্রকার অর্থনৈতিক কার্যকলাপ সম্পর্কে

(7. স্বল্প জনসংখ্যা কাকে বলে ?
উত্তর> যদি কোন দেশে সম্পদের তুলনায় লোক সংখ্যা কম থাকে বা লোক সংখ্যার অভাবে সম্পদ সৃষ্টিতে অসুবিধা হয় তবে ঐ দেশের জনসংখ্যা আদর্শ নয়, এরূপ জনসংখ্যাকে স্বল্প জনসংখা বলে I অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইরাক, ইরান, তাইওয়ান প্রভৃতি দেশে এরূপ জনসংখ্যা লক্ষ্য করা যায় I

(8. কাম্য জনঘনত্ব কাকে বলে ?
উত্তর> যখন কোন অঞ্চলের মানুষ-জমির আদর্শ অনুপাতের উপর ভিত্তি করে অঞ্চলটির প্রয়োজনীয় সঙ্গতির স্বাপেক্ষে যথার্থ ভারসাম্য স্থাপন করে তখন সেই জনঘনত্বকে কাম্য জনঘনত্ব বলে I জনঘনত্বের একটি নির্দিষ্ট মানের উপর ভিত্তি করে যখন অঞ্চলের সার্বিক উন্নতি সাধিত হয় তখন অঞ্চলটিতে কাম্য জনঘনত্ব বজায় রয়েছে বলে মনেকরা হয় I

(9. জনাকীর্ণতা কাকে বলে ?
উত্তর> যখন কোন দেশের জনসংখা ঐ দেশের সম্পদের থেকে বেশী মাত্রায় পৌঁছায় এবং সম্পদ উত্পাদন ও বন্টনের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে অর্থনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক জীবনকে প্রভাবিত করে মাথাপিছু আয় ও জমির কার্যকরিতাকে ক্ষুণ্ন করে তখন সেই জনসংখ্যা কে জনাকীর্ণতা বলে I তৃতীয় বিশ্বের দেশ ভারত বাংলদেশ, চিন পকিস্তান প্রভৃতি দেশে জনাকীর্ণতা লক্ষ্য করা যায় I

এখান থেকে পড়ুন 👉 পরিবেশ বিদ্যার কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

(10. শূন্য জনসংখ্যা কাকে বলে ?
উত্তর> কোন দেশে যখন জন্ম ও মৃত্যূ হার সমান হয় তখন সেই দেশের জনসংখ্যাতে হ্রাস বা বৃদ্ধি না হয়ে স্থিতিশীল থাকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির এরূপ দশাকে শূন্য জনসংখ্যা বলা হয় I এই অবস্থায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার পূর্বাপেক্ষা বৃদ্ধি পেলে তাকে ধনাত্মক শূন্য জনসংখ্যা এবং হ্রাস পেলে তাকে ঋণাত্মক শূন্য জনসংখ্যা বলে
W.S.Thompson এর (1929) জনসংখ্যা ক্রম প্রতিপাদন অনুসারে পঞ্চম দশা হল শূন্য জনসংখ্যা I উদাহরণ : ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশের জনসংখ্যা I

(11. জনসংখ্যা অভিক্ষেপ কাকে বলে ?
উত্তর> বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পেতে ভবিষ্যতে তা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তার পরিমাপের পূর্বাভাষ দেওয়াকে সাধারণ ভাবে জনসংখ্যা অভিক্ষেপ বলে I এই অভিক্ষেপের মাধ্যমে প্রকৃত জনসংখ্যা অবস্থানের কথা জানা সম্ভব হয় I এই পূর্বাভাস কিছুটা অনুমান ভিত্তিক I সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা বিচার করে অভিক্ষিপ্ত জনসংখ্যা নির্ণীত হয় I
যেমন :- 2025 পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবীর জনসংখ্যা 800 কোটি তে পৌঁছবে I

এখান থেকে পড়ুন 👉 রসায়ন বিদ্যার প্রথম পর্বের প্রশ্নোত্তরগুলি
(12. জন বিস্ফোরণ কাকে বলে ?
উত্তর> বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতির ফলে হ্রাসমান মৃত্যূহার, অনৈতিক বর্ধিষ্ণু জন্মহার এবং সম্পদ সৃষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি প্রভৃতি কারণে বর্তমান বিশ্বে যে হারে জনসংখ্যা বাড়ছে তাকে বলা যায় জন বিস্ফোরণ I এই জন বৃদ্ধির হার অপরিবর্তিত থাকলে 2025 নাগাদ অভিক্ষিপ্ত জনসংখ্যা 800 কোটিতে পৌঁছবে I জনবিস্ফোরণ অর্থনৈতিক মানদণ্ডকে ধ্বংশ করে দেয় I

(13.জনসংখ্যা বিস্ফোরণের সমস্যাগুলি কিকি ?
উত্তর> জনসংখ্যা বিস্ফোরণের ফলে সমাজ ব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, যেমন :- অর্থনৈতিক সমস্যা – কর্মক্ষেত্রের অভাব, আয়ের পার্থক্য ; সামাজিক সমস্যা – দারিদ্রতা, বেকারত্ব ; স্বাস্থ্য সমস্যা – পুষ্টির অভাব, শিশু মৃত্যু, চিকিত্সা পরিষেবার অপ্রতুলতা ; বাস্তুতান্ত্রিক সমস্যা – কৃষি ও বনভূমির বিনাশ, জৈব বৈচিত্র বিনাশ ; মানবিক সমস্যা – উগ্রতা, বিভেদতা ইত্যাদি I

এখান থেকে পড়ুন 👉 শিক্ষকতার জন্য ইন্টারভিউ এর কিছু প্রশ্নোত্তর, ভাইরাল পোস্ট

(14. ভারতে কী জন বিস্ফোরণ ঘটেছে ?
উত্তর> কোন দেশের জনসংখ্যা যখন ঐ দেশের সম্পদের উপর চাপ সৃষ্টি করে তখন তাকে জন বিস্ফোরণ বলে I ভারতে -সবুজ বিপ্লব, শ্বেত বিপ্লব, রূপালী বিপ্লব প্রভৃতির ফলে ভারত খাদ্য যোগানে স্বয়ংসম্ভর ; ভারত খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ, ক্রমবর্ধমান শিল্পায়নে সম্ভাবনাময় এবং বৃহত্তর কর্ম ক্ষেত্রের সম্ভাবনাপূর্ণ আধার যা বর্তমান প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন পোষণে যথেষ্ট I তাই বলা যায় দারিদ্র সংখ্যাধিক ভারতে জনসংখ্যা 121 কোটি ছাড়িয়ে গেলেও ভারত জন বিস্ফোরক দেশ নয় I

(15. জন্ম হার কাকে বলে ?
উত্তর> প্রতি বছর প্রতি হাজার জনসংখ্যার মধ্যে জীবিত সন্তানদের জন্মের অনুপাতকে জন্ম হার বলে I জন্ম হার শূন্য বা ধনাত্মক হতে পারে, কিন্তু কখনোই ঋণাত্মক হয় না ভারতে বর্তমান জন্ম হার হল (2011)I জন্ম হার – জীবন যাত্রার মান, শিক্ষার বিকাশ, জনসংখ্যা কাঠামো, বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স, ধর্মীয় রীতিনীতি প্রভৃতি আর্থসামাজিক বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল I


আপনি কি ভূগোল বিষয়ে SLST এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন ? তাহলে অবশ্যই যুক্ত হয়ে যান MGI SLST Geography Online Coaching এর সাথে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে 👇👇

MGI SLST Geography Online Coaching, Prime Membership Now


 

(16. মৃত্য হার কাকে বলে ?
উত্তর> প্রতি বছর প্রতি এক হাজার মানুষের মধ্যে মৃত মানুষের আনুপাতিক মান কে মৃত্যূ হার বলে I মৃত্যূ হার কোন দেশের সামগ্রিক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নতির স্তরের উপর নির্ভর করে I ভারতে 1998 সালের মৃত্যূ হার হল 9.0 I

(17. জন ঘনত্বের তারতম্য অনুযায়ী পৃথিবীর শ্রেণীবিভাগ করুন I
উত্তর> জনঘনত্বের তারতম্য অনুসারে পৃথিবীকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়, যথা :-A. নিবিড় বা অত্যন্ত ঘন বসতিপূর্ণ অঞ্চল :- জনসংখ্যা 51-100 জন /বঃ কিঃমিঃ, মোট জনসংখ্যার 60%,এশিয়া মহাদেশের পূর্বাংশের দেশ ; B. মধ্যম বা নাতিনিবিড় জন বসতি অঞ্চল :- জনসংখ্যা 11-50 জন/বঃ কিঃম, যেমন পকিস্তান; C. বিরল জনবসতি যুক্ত অঞ্চল :- 1-10 জন /বঃ কিঃম, নরওয়ে, সুইডেন ইত্যাদি; D. অতি বিরল জনবসতি যুক্ত অঞ্চল :- প্রতি বঃ কিঃমিঃ তে 1 জনের কম, মরু প্রায় আফ্রিকান অঞ্চল I


 

এই প্রথম ভূগোল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন সাল সংকলন,সংগ্রহ করুন “ভৌগোলিক সালানুক্রম” ইবুকটি নিচের লিঙ্ক থেকে 👇👇

“ভৌগোলিক সালানুক্রম” সংগ্রহ লিঙ্ক


 

(18. পৃথিবীর ঘন বসতিপূর্ণ অঞ্চলের নাম করুন I
উত্তর> প্রতি বর্গ কিঃমিঃ তে 51-100 বা তার বেশী জন বাস করে এরূপ ঘন বসতি অঞ্চলকে চার ভাগে ভাগ করা যায়, A. পূর্ব এশিয়া :- চিন, কোরিয়া, জাপান; B. দক্ষিণ এশিয়া :- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া; C. উত্তর, মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপ এবং ইউরোপীয় সোভিয়েত ইউনিয়ন :- নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, উঃ ইতালি; D. উঃ-পূর্ব আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ পূর্ব কানাডা I

(19. পৃথিবীর বিরল জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলের নাম লিখুন I
উত্তর> প্রতি বর্গ কিঃমিঃ তে 1-10 জন বাস করে এরূপ বিরল জনবসতিপূর্ণ অঞ্চল হল – A. নাতিশীতোষ্ণ ও ক্রান্তীয় তৃণভূমি অঞ্চল :- উত্তর আমেরিকার দক্ষিণাংশ ও দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশ, আফগানিস্তান, ইরাক, ইরান ; B. নরওয়ে, সুইডেন, পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকার শুষ্ক অঞ্চল, আরবীয় উপকূলভাগ, অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাংশ প্রভৃতি I

(20. দক্ষিণ এশিয়াতে নিবিড় জন বসতির কারণ কী ?
উত্তর> দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ যথা – বাংলাদেশ (2401), ভারত (382),শ্রীলঙ্কা (771), পকিস্তান (472) এর প্রতি বর্গ কিঃমিঃ তে গড় জনঘনত্ব 362 জন, এর কারণ হল – i. অনুকূল মৌসুমী জলবায়ুর আধিক্য, ii. উর্বর ও অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ, iii.শ্রম নির্ভর কৃষি ব্যবস্থা ও সেচের সুবিধা, iv.উচ্চ জন্ম হার ও অপেক্ষাকৃত নিম্ন মৃত্যু হার ইত্যাদি I

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!