Some Important Differences in Geography॥ভূগোলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য

ভূগোলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য 

[পরিবর্তন হোক ভূগোলের বিভিন্ন বিষয়ের পার্থক্য পড়া বা লেখার দৃষ্টিভঙ্গি । আর দুটি ভাগে ভাগ করে পার্থক্য পড়া বা লেখা নয় এবার পয়েন্ট করে এক লাইনে দুটি বিষয়ের পার্থক্য পড়ব বা লিখব । এতে মনে রাখা যেমন সহজ হবে তেমনি অন্যকে বোঝানোও সহজ হবে । এখানে কয়েকটি পার্থক্য আলোচনা করা হল, এরকম পার্থক্য আরো প্রয়োজন হলে পার্থক্যের বিষয় উল্লেখ করে 8640890159 নম্বরে Whats App করো/করুন । পরবর্তী পোস্টে সেগুলি নিয়ে আলোচনা করা হবে ।]

 

• ডাইক ও সিলের পার্থক্য :-
i. শিলা স্তরের অসমান্তরালে অর্থাৎ উলম্ব অথবা তীর্যক ভাবে ম্যাগমা ফাটলের মধ্যে প্রবেশ করে যে উদ্বেদী মূর্তি গঠন করে তাকে ডাইক; এবং পাললিক শিলা স্তর বা অন্যকোন ভূতাত্বিক গঠন তলের সমান্তরালে অবস্থিত পাত কে সিল বলে ।
ii. ডাইক সাধারণত ডলোরাইট ও ডায়োরাইট আগ্নেয় শিলা; যেখানে সিল ক্ষারকিয় ডলোরাইট ও ব্যসল্ট শিলা দ্বারা গঠিত ।
iii. ডাইক এর বিস্তৃতি দৈর্ঘ ও প্রস্থ কম কিন্তু গভীরতায় অপরিমাপ্য; যেখানে সিলের বিস্তৃতি দৈর্ঘ ও প্রস্থ অধিক কিন্তু গভীরতায়স্বল্প ।
iv. শিলা স্তরের নতির সঙ্গে ডাইকের নতি ভিন্ন কিন্তু সিলের নতি সর্বদা শিলার সমানতলে অবস্থান করে ।

• আবহবিকার ও পুঞ্জ ক্ষয়ের পার্থক্য :-
i. প্রাকৃতিক শক্তিগুলো দ্বারা কোন শিলার নিজ স্থানে বিচূর্ণন বা বিয়োজনকে আবহবিকার,এবং আবহবিকারের ফলে উৎপন্ন অবস্করের ঢাল বেয়ে স্থানান্তর কে – বলাহয় পুঞ্জক্ষয় ।
ii. আবহবিকারের ফলে মূল শিলাস্তরের অভ্যন্তরভাগ উন্মুক্ত হয় না; এরুপ উন্মুক্ততা পুঞ্জক্ষয়ের ফল ।
iii. উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, মূল শিলার বৈশিষ্ট হলো আবহবিকারের; এবং ভূমির কৌণিক মান, মধ্যাকর্ষণ শক্তি, শিলা স্তরে জলের অনুপ্রবেশ, অবস্করের আকার এবং আয়তন – পুঞ্জক্ষয়ের নিয়ন্ত্রক ।

• তাপীয় রূপান্তর ও বিচূর্ণন রূপান্তর এর পার্থক্য :-
i. পরিবর্তনশীল প্রকৃতিতে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে শিলার রূপান্তর কে তাপীয় রূপান্তর; ও প্রধানত চাপের তারতম্যের জন্য ঘটা শিলার রূপান্তর কে বিচূর্ণন রূপান্তর বলে ।
ii. তাপীয় রূপান্তর দুই ভাবে সম্পন্ন হয় যথা – স্পর্শ রূপান্তর (বেলে পাথর ->কোয়ার্টজাইট)ও ভূ-তাপীয় রূপান্তর (গ্রানাইট); যেখানে কম চাপ ও তাপমাত্রা যুক্ত অঞ্চলে থ্রাস্ট স্তূপ অধিরোপণ কালে চ্যুতির উভয় পার্শ্বে শিলা চলাচল জনিত প্রবল পীড়নের দ্বারা বিচূর্ণন রূপান্তর সংঘটিত হয় ।

• স্লিট ও হেলের পার্থক্য :-
i. ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলে উষ্ণ ও শীতল মেঘ উপর-নিচে অবস্থান করলে উষ্ণ মেঘে সৃষ্ট বৃষ্টিপাত শীতল মেঘের মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে আসার সময় জমাট বেঁধে নকুল দানার বরফ খন্ডে পরিণত হয়,এদের স্লিট বলে; অন্যদিকে শীতল বায়ু প্রাচীরের সঞ্চারের সময় স্তূপ নীরদ মেঘ থেকে উৎপন্ন বরফ খন্ডগুলোকে হেল বলে ।
ii. শীতল অঞ্চলে ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডল উষ্ণ হলে শ্লিট, এবং উষ্ণ অঞ্চলে নিম্ন বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হলে হেল উৎপন্ন হয় ।

• রিয়া উপকূল ও ফিয়র্ড উপকূলের পার্থক্য :-
i. সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চল বা নদী উপত্যকা অবনমিত অবস্থায় সমুদ্র গর্ভে নিমজ্জিত হয়ে গড়ে ওঠা উপকূল কে রিয়া; এবং বরফ মুক্ত অবস্থায় হিমবাহ উপত্যকার সমুদ্র গর্ভে নিমজ্জিত হয়ে গড়ে ওঠা উপকূল কে ফিয়র্ড উপকূল বলে ।
ii. রিয়া উপকূল অনেকটা ফানেলের মতো; যেখানে ফিয়র্ড অপ্রশস্থ, অগভীর ও ‘U’ আকৃতির হয়ে থাকে ।
iii. রিয়া উপকূলে পর্বতের শিরা এবং নদী উপত্যকা গুলো উপকূল রেখার সঙ্গে সমকোণে বা আড়াআড়িভাবে অবস্থান করে; যেখানে ফিয়র্ড উপকূলের সন্মুখে ছোট ছোট দ্বীপ গঠিত হয় ।
iv. দক্ষিণ-পশ্চিম আয়ারল্যান্ডের উপকূল ভাগ রিয়া; এবং ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়া উপদ্বীপে ফিয়র্ড উপকূল লক্ষ্য করা যায় ।

• ঘূর্ণাবর্ত ও প্রতীপ ঘূর্ণাবর্তের পার্থক্য :-
i. বায়ু চাপের সমতা রক্ষার্থে যখন চারদিকের উচ্চ চাপের শীতল বায়ুপ্রবাহ কোন নিম্ন চাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবল বেগে ছুটে যায় তখন তাকে ঘূর্ণবাত; এবং অত্যাধিক শৈত্যতা জনিত কারণে প্রচন্ড উচ্চ চাপ যুক্ত কেন্দ্র থেকে শীতল ও শুষ্ক বায়ুর পার্শবর্তী নিম্নচাপ কেন্দ্র গুলোতে প্রবল বেগে প্রবাহকে প্রতীপ ঘূর্ণবাত বলে ।
ii. ঘূর্ণবাত ক্রান্তীয় ও নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলে গ্রীষ্মকালে সংঘটিত হয় এবং এর কেন্দ্রে থাকে নিম্নচাপ; কিন্তু শীতল নাতিশীতোষ্ণ ও হিম মন্ডলে প্রতীপ ঘূর্ণবাত সৃষ্টি হয়, যার কেন্দ্রে থাকে উচ্চ চাপ ।
iii. ঘূর্ণবাত উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীতে প্রবাহিত হয়; প্রতীপ ঘূর্ণবাতে যা সম্পূর্ণ বিপরীত ।

• আবহবিকার ও ক্ষয়িভবন এর পার্থক্য :-
i. কোন শিলার নিজ স্থানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা বিচূর্ণন বা বিয়োজনকে আবহবিকার; এবং আবহবিকার জনিত শিলাচূর্ণের প্রাকৃতিক বাহিত শক্তির দ্বারা অপসারণ কে ক্ষয়ীভবন বলে ।
ii. আবহবিকারের ফলে মূল শিলাস্তরের অভ্যন্তরভাগ উন্মুক্ত হয় না; এরুপ উন্মুক্ততা ক্ষয়ীভবনের ফল ।
iii. আবহবিকার ধীর প্রক্রিয়ায় সংঘটিত ভূমিরুপ ভাস্কর্যের প্রথম প্রকৃয়া; যেখানে ক্ষয়ীভবন খুব দ্রুত সংঘটিত ভূমিরুপ ভাস্কর্যের পরবর্তী প্রকৃয়া ।
iv. আবহবিকারের প্রধান নিয়ন্ত্রক হল উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, মূল শিলার বৈশিষ্ট ইত্যাদি; অন্যদিকে ক্ষয়ীভবন বায়ুপ্রবাহ, জলস্রোত, হিমবাহ, সমুদ্র তরঙ্গ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় ।

• কর্দম প্রবাহ ও মৃত্তিকা স্খলন এর পার্থক্য :-
i. অধিক ঢাল যুক্ত পর্বত গাত্র বেয়ে জলের সহয়তায় সূক্ষ দানা যুক্ত মৃত্তিকা প্রবাহকে কর্দম প্রবাহ; এবং জল সিক্ত মৃত্তিকা কণার ভারসাম্যহীন অবস্থায় ভূমি ঢাল বরাবর নিম্নে অবতরণকে মৃত্তিকা পাত বলে ।
ii. পুঞ্জিত ক্ষয়ের দ্রুত প্রবাহের একটি উপোবিভাগ কর্দম প্রবাহ, যা আর্দ্র ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে সক্রিয়; অন্যদিকে মৃত্তিকা পাত হল পুঞ্জিত ক্ষয়ের ধীর প্রবাহের একটি উপোবিভাগ, যা উচ্চ অক্ষাংশের হিমায়িত অঞ্চলে অধিক সক্রিয় ।
iii. কর্দম প্রবাহ বছরে কয়েক সেমিঃ থেকে কয়েক মিটার সম্ভব কিন্তু মৃত্তিকা পাত অতি ধীর গতি সম্পন্ন ।

• নদীর দৈর্ঘ ও প্রস্থ বরাবর প্রস্থছেদ এর পার্শ্ব চিত্রের পার্থক্য :-
i. উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদী প্রবাহ পথকে উচ্চতা অনুসারে অঙ্কন করলে যে রেখা চিত্র পাওয়া যায় তাকে দৈর্ঘ বরাবর লম্বচ্ছেদের পার্শ্ব চিত্র; এবং নদী পথের যেকোন স্থানে নদী তলদেশের সঙ্গে উভয় পাড়ের সমকোণে অঙ্কিত রেখা চিত্র কে প্রস্থ বরাবর পার্শ্ব চিত্র বলে ।
ii. দৈর্ঘ্য পার্শ্ব চিত্র দ্বারা নদী উপত্যকার গভীরতা, উচ্চতা, ঢাল, বন্ধুরতা , নিক পয়েন্ট প্রভৃতি; এবং প্রস্থ বরাবর পার্শ্ব চিত্র দ্বারা প্লাবন ভূমি, নদী বাঁক, স্বভাবিক বাঁধ, নদী মঞ্চ প্রভৃতি উপস্থাপন করা হয় ।
iii. দৈর্ঘ্য পার্শ্ব চিত্র নদী গতি পথের ক্ষয় কার্য ও সঞ্চয় কার্য দ্বারা প্রভাবিত; কিন্তু প্রস্থ পার্শ্ব চিত্রটি উপত্যকা শিলাস্তরের গঠন ও প্রকৃতি, নদী প্রবাহের ক্ষমতা ও অববাহিকার জলবায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় ।

• অণুলোম ও বিলোম চ্যুতির পার্থক্য :-
i. যে চ্যুতিতে চ্যুতিতল বরাবর অধোস্তূপ অপেক্ষা ঊর্ধ্ব স্তূপ নীচের দিকে নেমে যায় তাকে অনুলোম চ্যুতি; এবং অত্যাধিক সংনমন বলের প্রভাবে খাঁড়া চ্যুতিতল বরাবর অধোস্তূপের উপর ঊর্ধ্ব স্তূপ উঠে এসে যে চ্যুতি গঠণ করে তাকে বিলোম চ্যুতি বলে ।
ii. অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক চ্যুতির নতির পরিমাণ (6 ডিগ্রী) বেশী হওয়ায় চ্যুতি কোন ও ব্যবধীর পরিমাণ কম হয়; অন্যদিকে বিলোম চ্যুতিতে নতির পরিমাণ (40 ডিগ্রী) কম হওয়ায় চ্যুতি কোন ও ব্যবধীর পরিমাণ বেশী হয় ।
iii. অনুলোম চ্যুতিতে ভূভাগের ক্ষেত্রফল বেশী এবং খাঁড়া ঢাল বিশিষ্ট চ্যুতি ভৃগু গঠিত হয়; যেখানে বিলোম চ্যুতিতে ভূভাগের ক্ষেত্রফল কম এবং ভূমিরুপ হিসেবে ঝুলন্ত উপত্যকা গঠিত হয় ।

• কেন্দ্র ও উপোকেন্দ্রের পার্থক্য :-
I. ভূপৃষ্ঠ থেকে নীচে কিছুটা গভীরে যে স্থান থেকে ভূকম্পন তরঙ্গ উৎপন্ন হয় তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র; এবং কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি উপরে ভূপৃষ্ঠের যে বিন্দুতে ভূকম্পিয় তরঙ্গ প্রথম পৌঁছায় তাকে উপকেন্দ্র বলে ।
II. ভূমিকম্পের কেন্দ্র সাধারণত ভূ-অভ্যন্তরে 16 কিঃমিঃর মধ্যে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে 700 কিঃমিঃ গভীরে গুরুমন্ডলে অবস্থান করে; কিন্তু উপকেন্দ্র কেন্দ্রের সোজাসুজি লিথোস্ফীয়ারের উপরি ভাগে অবস্থান করে ।
III. কেন্দ্র থেকে উৎপন্ন ভূকম্পন উপকেন্দ্র থেকে তরঙ্গের আকারে চতুষ্পার্শে ছড়িয়ে পড়ে ।

• ম্যাগমা ও লাভার পার্থক্য :-
I. ভূগর্ভে হটাৎ চাপ মুক্তির ফলে শিলা গলে যে তরল বা সান্দ্র বস্তু উৎপন্ন হয় তাকে ম্যাগমা; এবং আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুত্পাতের সময় ভূপৃষ্ঠে নির্গত গলিত বা অর্ধ গলিত সিলিকেট ময় পদার্থ কে লাভা বলে ।
II. ম্যাগমা গলিত শিলা,জল ও গ্যাসীয় পদার্থের জটিল দ্রবণ বিশেষ; অন্যদিকে লাভা, উদ্বায়ী পদার্থ ও জলীয়বাষ্পহীন গলিত শিলার সরল সংযুক্তির দ্রবণ বিশেষ ।
III. ম্যাগমা ভূত্বকের নিম্নাংশ বা গুরুমণ্ডলের উপরের অংশে উৎপন্ন হয়; যেখানে লাভা ভূপৃষ্ঠে কিম্বা ভূপৃষ্টিয় অংশে সঞ্চিত হয় ।

• চ্যুতি ভৃগু ও চ্যুতি রেখা ভৃগুর পার্থক্য :-
I. চ্যুতি সৃষ্টির পরমুহূর্তে ঊর্ধ্ব স্তূপ এবং অধোস্তূপের মাঝখানে যে খাঁড়া দেওয়াল প্রকাশিত হয় তাকে চ্যুতি ভৃগু; এবং চ্যুতি রেখার দু পাশে কঠিন ও কোমল শিলার মুখোমুখি অবস্থানের ফলে বৈষম্যমূলক ক্ষয়কার্যের জন্য সৃষ্ট নূতন ও পুরাতন ভৃগুর সমষ্টিকে চ্যুতি রেখা ভৃগু বলে ।
II. ক্ষয়কার্যের প্রথম অবস্থায় চ্যুতি ভৃগু দেখা যায় যা বয়সে নবীন ও অধিক উচ্চতা যুক্ত; কিন্তু বয়সে প্রবীণ এবং কম উচ্চতা যুক্ত চ্যুতি রেখা ভৃগু ক্ষয়কার্যের দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় অবস্থায় দেখা যায় ।
III. চ্যুতি ভৃগু মহীভাবক ও গিরিজনি আলোড়ন সৃষ্ট অন্তর্জাত শক্তি; এবং চ্যুতি রেখা ভৃগু ভূপৃষ্ঠের ওপর ক্রিয়াশীল বিভিন্ন বহির্জাত শক্তি – র প্রভাবে সৃষ্টি হয় ।

• অভিসারী ও প্রতিসারী পাত সীমান্তের পার্থক্য :-
I. পাত সংস্থান তত্ব অনুযায়ী দুটি পরস্পর অভিমুখী পাতের সংযোগ স্থল কে অভিসারী পাত সীমান্ত; এবং যে সীমান্ত থেকে দুটি বিপরীত মুখী পাত তাদের প্রতিসরণ সূচিত করে সেই সীমান্ত কে প্রতিসারী পাত সীমান্ত বলে ।
II. অভিসারী পাত সীমান্তে দুটি পাতের সংঘর্ষের ফলে সীমানা ধংস হয়ে ভূমিকম্প সংঘটিত হয় এবং ভঙ্গিল পর্বত, বৃত্তচাপীয় দ্বীপ মালা প্রভৃতি ভূমিরুপ সৃষ্টি হয়; অন্যদিকে প্রতিসারী পাত সীমান্তে চ্যুতি সৃষ্টি হলে লাভা নির্গত হয়ে শৈলশিরা, গ্রস্তউপত্যকা ইত্যাদি ভূমি রুপ সৃষ্টি হয় ।
III. ইউরোপীয় ও ভারত উপদ্বীপীয় পাত সীমান্ত অভিসারী; এবং উভয় আমেরিকান পাত ও অ্যাফ্রো-ইউরোপীয় পাত সীমান্ত প্রতিসারী পাত সীমান্তের উদাহরণ ।

• প্রাথমিক ও গৌণ তরঙ্গের পার্থক্য :-
I. ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে উপকেন্দ্র বা ভূপৃষ্ঠে যে দেহ তরঙ্গ সমান গতিবেগে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে প্রথম পৌঁছয় তাকে প্রাথমিক তরঙ্গ; এবং প্রাথমিক তরঙ্গের পর সমান গতিবেগে অপেক্ষাকৃত কম গতিতে যে তরঙ্গ ভূপৃষ্ঠে পৌঁছায় তাকে গৌণ তরঙ্গ বলে ।
II. P তরঙ্গ ভূঅভ্যন্তরে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অংশ দিয়ে ভূত্বক,গুরুমন্ডল ও কেন্দ্র মন্ডলে শব্দ তরঙ্গের ন্যায় ছড়াতে সক্ষম; যেখানে S তরঙ্গ ভূঅভ্যন্তরে কেবলমাত্র কঠিন অংশের মধ্য দিয়ে গুরুমন্ডল ও ভূত্বকে আলোক তরঙ্গের অনুরুপে ছড়াতে সক্ষম । ।

• পাতালিক ও নিঃসারী শিলার পার্থক্য :-
I. ভূ-গর্ভের অনেক নীচে বহু বত্সর ধরে উত্তপ্ত গলিত পদার্থ ধীরে ধীরে শীতল হয়ে যে শিলা গঠণ করে তাকে পাতালিক; এবং ম্যাগমা চেম্বার থেকে উত্তপ্ত তরল ম্যাগমা আগ্নেয় গিরির মধ্য দিয়ে ভূপৃষ্ঠে পৌঁছে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে দ্রুত জমাট বেঁধে যে শিলা গঠিত হয় তাকে নিঃসারী শিলা বলে ।
II. পাতালিক শিলা ধীর প্রক্রিয়ায় শীতল হয়ে গঠিত হওয়ায় এদের কণা খুব বড় হয়; যেখানে নিঃসারী শিলা দ্রুত জমাট বাঁধায় শিলা দানা ঘন সন্নিবিষ্ট ও সূক্ষ হয় ।
III. আগ্নেয় পদার্থ সমূহের ভূপৃষ্ঠে নির্গমনের প্রকৃতির ভিত্তিতে একে বিস্ফোরক ও শান্ত আগ্নেয় শিলা এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়; পাতালিক শিলাকে গভীরতার দিক থেকে পাতালিক ও উপো পাতালিক এই দুই ভাগে ভাগ করা হয় ।
IV. গ্রানাইট, গ্যাব্রো প্রভৃতি পাতালিক,এবং ব্যসল্ট নিঃসারী শিলার উদাহরণ ।

• নদী ও হিমবাহ উপত্যকার পার্থক্য :-
I. উৎপত্তি স্থল থেকে মোহনা পর্যন্ত অংশে যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী জল প্রবাহিত হয় তাকে নদী উপত্যকা; এবং হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে যে খাতে বিশাল হিম খণ্ড সচল অবস্থায় থাকে তাকে হিমবাহ উপত্যকা বলে ।
II. নদী উপত্যকায় পার্বত্য প্রবাহে গিরিখাত ও ক্যানিয়ন,আবদ্ধ ও কর্তিত শৈলশিরা, জলপ্রপাত প্রভৃতি; এবং হিমবাহের পার্বত্য প্রবাহে আঁচড় কাটা মেঝে, হিম কর্তিত সমভূমি ও আগামূখ প্রভৃতি ক্ষয়জাত ভূমিরুপ গঠিত হয় ।
III. নদীর সঞ্চয় কার্যের ফলে উপত্যকায় পলি শঙ্কু, প্লাবন ভূমি, ব-দ্বীপ প্রভৃতি; এবং হিমবাহ উপত্যকায় সঞ্চয় কার্যে টিলাইট, স্তরিভূত অবক্ষেপ, গ্রাব রেখা প্রভৃতি ভূমিরুপ গড়ে ওঠে ।

• খাদ্য শৃঙ্খল ও খাদ্য জালের পার্থক্য :-
I. খাদ্য শৃঙ্খল হল একমুখী,কম জীব বৈচিত্র সম্পন্ন, সরল প্রক্রিয়া; কিন্তু খাদ্য জাল বহুমুখী , অধিক জীব বৈচিত্র সম্পন্ন,একটি জটিল প্রক্রিয়া ।
II. খাদ্য শৃঙ্খলে সর্ব ভুক প্রাণীদের দেখানো যায় না; কিন্তু খাদ্য জালে তা সম্ভব ।
III. খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তি সরবরাহের বিঘ্ন ঘটলে বাস্তু তন্ত্রের অস্তিত্বের সংকট দেখা যায়; কিন্তু খাদ্য জালে একাধিক খাদ্য শৃঙ্খল থাকায় তন্ত্রের অস্তিত্ব (শক্তি সরবরাহের বিঘ্ন ঘটলেও)নষ্ট হয় না ।

 



ইবুক নাম :- ভৌগোলিক সালানুক্রম

উপাদান :- 2400 + ভৌগোলিক সালের সংকলন 

কাজে লাগবে :- যেকোনো স্তরের ভূগোল শিক্ষার্থীদের 

প্রকাশক :- মিশন জিওগ্রাফি ইন্ডিয়া 

ভৌগোলিক সালানুক্রম ইবুকটি সংগ্রহের জন্য কভার পেজ টি স্পর্শ করুনঃ

⇓⇓



• উৎপাদক ও খাদকের পার্থক্য :-
I. বাস্তু তন্ত্রের যে সমস্ত উপাদান নিজের দেহে খাদ্য উৎপাদন করতে পারে তাদের উৎপাদক; এবং যে সমস্ত উপাদান খাদ্যের জন্য উৎপাদকের (বা অন্য কোন খাদকের )উপর নির্ভরশীল তাদের খাদক বলে ।
II. বাস্তু তন্ত্রে উৎপাদকের সংখ্যা খাদকের তুলনায় বহুগুণ বেশী ।
III. উৎপাদক সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন উৎপন্ন করে; যেখানে খাদক শ্বসন প্রক্রিয়ায় কার্বন-ডাই অক্সাইড উৎপাদনে সক্ষম ।
IV. উৎপাদক সৌর শক্তি কে সরাসরি নিজের দেহে স্থিতি শক্তি হিসাবে আবদ্ধ করতে পারে; খাদক তা পারেনা (10 শতাংশ সূত্র প্রযোজ্য)।

• উৎপাদক ও বিয়োজকের পার্থক্য :-
I. বাস্তু তন্ত্রের যে সমস্ত উপাদান নিজের দেহে খাদ্য উৎপাদন করতে পারে তাদের উৎপাদক; এবং যে সমস্ত উপাদান খাদ্যের জন্য মৃত জীবের ওপর নির্ভরশীল তাদের বিয়োজক বলে ।
II. উৎপাদক জটিল পদ্ধতিতে খাদ্য গ্রহণ করে; কিন্তু বিয়োজক মৃতদেহ থেকে রসায়নিক যৌগ গুলিকে ভেঙ্গে সরল পদ্ধতিতে খাদ্যগ্রহণ করে ।
III. উৎপাদকের দেহে ক্লোরোফিল থাকে; যা বিয়োজকের দেহে অনুপস্থিত ।

• খাদক ও বিয়োজকের পার্থক্য :-
I. বাস্তু তন্ত্রের যে সমস্ত উপাদান খাদ্যের জন্য উৎপাদক বা খাদকের ওপর নির্ভরশীল তাদের খাদক; অন্যদিকে যেসমস্ত উপাদন মৃত উদ্ভিদ বা প্রাণী থেকে খাদ্য রস শোষণ করে তাদের বিয়োজক বলে ।
II. খাদক খাদ্যকে সরল অংশে ভেঙ্গে পরিবেশে মুক্ত করে না; কিন্তু বিয়োজক কঠিন রসায়নিক যৌগ ভেঙ্গে অজৈব লবণ হিসাবে পরিবেশে মুক্ত করে ।
III. খাদক জটিল খাদ্য গ্রহণে সক্ষম হলেও বিয়োজক সরল খাদ্য গ্রহণে সক্ষম ।

• পরিবেশ অবনমন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের পার্থক্য :-
i. প্রাকৃতিক ও মনুষ্য কৃত বিভিন্ন কারণে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান যখন তাদের স্বাভাবিক অবস্থা থেকে অবনমিত হয়ে পড়ে তখন তাকে পরিবেশের অবনমন; এবং পরিবেশ অবনমন রূপ প্রতিকূলতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে পেতে যখন ভয়াবহ আকার ধারণ করে জীবকূলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কে ব্যাহত করে তখন তাকে পরিবেশ বিপর্যয় বলে ।
ii. জল দূষণ, বায়ু দূষণ পরিবেশ অবনমনের কারণ; অন্যদিকে বন্যা, ভূমিকম্প প্রভৃতি পরিবেশ বিপর্যয় এর কারণ ।
iii. পরিবেশের ক্রমাগত অবনমনের ফলে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটে ।

• সোপান চ্যুতি ও পরিখা চ্যুতির পার্থক্য :-
I. অনেকগুলো অণুলোম চ্যুতি একসঙ্গে মিলিত হয়ে যে সিঁড়ির ন্যায় ধাপের সৃষ্টি করে তাকে সোপান চ্যুতি বলে, অন্যদিকে সোপান চ্যুতি শ্রেণিবদ্ধ ভাবে দুইদিক থেকে মিলিত হয়ে যে পরিখা সৃষ্টি করে তাকে পরিখা চ্যুতি বলে ।
II. সোপান চ্যুতি পরিখা চ্যুতির পূর্ববর্তী অবস্থা যেখানে পরিখা চ্যুতি বিভিন্ন সোপান চ্যুতির মিলিত ফল ।

• ক্রান্তীয় ও নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণাবর্তে পার্থক্য :-
I. উভয় গোলার্ধের 5-15 ডিগ্রী অক্ষাংশের মধ্যবর্তী স্থানের শক্তিশালী নিম্নচাপ কেন্দ্রের বায়ুপ্রবাহ হল ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত; যেখানে নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাত উভয় গোলার্ধের 35-65 ডিগ্রী অক্ষাংশের মধ্যে সীমা বদ্ধ ।
II. ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত সীমান্ত হীন, বিধংসী ক্ষমতা যুক্ত, গ্রীষ্মকালীন উষ্ণ সামুদ্রিক বায়ুপ্রবাহ; কিন্তু নাতিশীতোষ্ণ ঘূর্ণবাত সীমান্ত যুক্ত, অ বিধংসী শীতকালীন স্থল বা জল ভাগের বায়ুপ্রবাহ ।
III. প্রথম টির বিস্তার 100 – 800 কিঃমিঃ; দ্বিতীয় টির 1600 – 3000 কিঃমিঃ ।

• মেঘ ও কুয়াশার পার্থক্য :-
I. ভূপৃষ্ঠের কাছে শীতল হয়ে জলীয়বাষ্পযুক্ত বায়ু ঘনীভূত হয়ে অজস্র ক্ষুদ্র জলকণা বায়ুমণ্ডলকে যে অসচ্ছতা প্রদান করে সেই অবস্থা কে কুয়াশা; এবং বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের অবনমনের ফলে সৃষ্ট অতি ক্ষুদ্র থেকে খুদ্র প্রকৃতির জলের ফোঁটা বা বরফের কণার সমষ্টি কে মেঘ বলে ।
II. কুয়াশা প্রধানত a.ভূমি কুয়াশা, b. সংস্পর্শ জনিত কুয়াশা এবং c. সীমান্ত কুয়াশা এই তিন ভাগে; এবং মেঘ প্রধানত a.শিরাস, b.স্ট্রাটাস,c.কিউমুলাস এবং d.নিম্বস এই চারটি প্রধান গোত্রে বিভক্ত ।

• ঘনীভবন ও অধঃক্ষেপনের পার্থক্য :-
I. বাতাসের শীতল হওয়া এবং তার অন্তস্থ জলীয় বাষ্পের জলে পরিণত হওয়ার অবস্থা কে ঘণীভবন; এবং ভূপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলীয় আর্দ্রতার ঘনীভূত হয়ে নিপাতনকে অধঃক্ষেপণ বলে ।
II. ঘনীভবন হল অধঃক্ষেপনের প্রধান কারণ ।
III. বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা এবং শীতলতার মাত্রা ঘনীভবনের; অন্যদিকে মেঘের মধ্যে তুষার কেলাস,হীম অনুকণা প্রভৃতি অধঃক্ষেপনের প্রধান কারণ ।

• গচ্ছিত ও অবাধ সম্পদের পার্থক্য :-
i. প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত যেসমস্ত পদার্থের কার্যকরিতা শক্তি এক বার ব্যবহার করার পর আর থাকেনা তাদের গচ্ছিত সম্পদ; এবং যেসমস্ত উপাদানের কার্যকরিতা শক্তি বারংবার ব্যবহারের পরেও অক্ষুন্ন থাকে তাদের অবাধ সম্পদ বলে ।
ii. গচ্ছিত সম্পদ স্থান নির্ভর এবং পরিমাণ নির্দিষ্ট; যেখানে অবাধ সম্পদ সর্বত্র প্রাপ্ত এবং অফুরন্ত ।
iii. গচ্ছিত সম্পদের ব্যবহার ব্যাপক ও পরিবেশ দূষণকারী; কিন্তু অবাধ সম্পদের ব্যবহার সীমিত এবং পরিবেশ বান্ধব ।

• সামাজিক বন সৃজন ও চিরাচরিত বন সৃজনের পার্থক্য :-
i. এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন অব্যবহৃত ও পতিত জমিতে এবং পৌর এলাকায় ফাঁকা জমিতে সামাজিক পরিকল্পনার মাধ্যমে একক বা যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচীকে সামাজিক বনসৃজন; এবং স্বাভাবিক ভাবে গড়েওঠা বনভূমিকে প্রয়োজন মাফিক সংরক্ষন ও বিস্তারের মাধ্যমে বিস্তৃত করাকে চিরাচরিত বনসৃজন বলে ।
ii. যেকোন মাপের অব্যবহৃত জমিতে ফুল, ফল, কাঠ, পশু খাদ্য প্রভৃতি উৎপাদনের লক্ষ্যে সামাজিক বনসৃজন; এবং বিস্তীর্ণ জমিতে মূলতঃ বাণিজ্যিক ভাবে কাঠ উৎপাদনের লক্ষ্যে চিরাচরিত বনসৃজন করা হয় ।
iii. সামাজিক বনসৃজন কৃষির সাথে জড়িত কিন্তু চিরাচরিত বনসৃজন বাণিজ্যিক ব্যবস্থার অংশ ।

• ব্যক্তিগত সম্পদ ও জাতীয় সম্পদের পার্থক্য :-
i. যে সম্পদ সম্পূর্ণ রুপে কোন ব্যক্তির মালিকানাধীন তা ব্যক্তিগত সম্পদ,যেমন -ঘরবাড়ী, সাক্ষর, সততা, জ্ঞান, সাস্থ্য ইত্যাদি; অন্যদিকে যেসমস্ত সম্পদ দেশ বা জাতীর তাদের জাতীয় সম্পদ বলা হয়, যেমন – বনভূমি, রেলপথ, খনিজ সম্পদ ইত্যাদি ।
ii. ব্যক্তিগত সম্পদ অসম বন্টিত; কিন্তু জাতীয় সম্পদ প্রায় সম বন্টিত ।
iii. সমস্ত ব্যক্তিগত সম্পদ জাতীয় সম্পদ; কিন্তু জাতীয় সম্পদ ব্যক্তিগতহয় না ।
iv. ব্যক্তিগত সম্পদ দ্বারা সমাজ বিভক্ত হয়ে পড়ে; যেখানে জাতীয় সম্পদ সমাজের বৈষম্য দূরীকরণে ব্যবহৃত হয় ।

• আলোক প্রেমী ও আলোক বিদ্বেষী উদ্ভিদের পার্থক্য :-
i. যে সকল উদ্ভিদ প্রখর সূর্যালোকে বর্ধন ও প্রজনন সম্পন্ন করে তাদের আলোক প্রেমী; এবং যেসমস্ত উদ্ভিদ সূর্যালোকের কম তীব্রতায় তাদের বর্ধন ও প্রজনন সম্পন্ন করে তাদের আলোক বিদ্বেষী উদ্ভিদ বলে ।
ii. আলোক প্রেমী উদ্ভিদের কাণ্ড বহু শাখাপ্রশাখা যুক্ত, ক্ষুদ্রাকৃতি পত্র ফলক কোষ সমন্বিত, অধিক পরিমাণে প্রস্বেদন ও বাষ্পমোচন ক্ষম, পুরু কিউটিকল ও কোষ প্রাচীর যুক্ত; যা আলোক বিদ্বেষী উদ্ভিদে দেখা যায় না ।

উচ্চ প্রাথমিক টেট গ্রুপে যুক্ত হতে নিচের ছবিটি স্পর্শ করুন ॥ 

ধন্যবাদ

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!