TET Special – Theory of Motivation

 


JOIN OUR NEW COURSE MGI TET ONLINE COACHING

  1. প্রেষণার প্রধান প্রধান তত্বগুলি কিকি ?
    উঃ শিখন সংক্রান্ত প্রেষণার প্রধান প্রধান তত্বগুলি হল :- A. Maslow’s Need Hierarchy Theory, B. Herzberg’s Motivation Hygiene Theory, C. McClelland’s Need Theory, D. McGregor’s Participation Theory, E. Attribution Theory, F. Freud’s Psychoanalytic Theory of Motivation, G. Instinct Theory of Motivation ইত্যাদি । এছাড়া অন্যান্য কিছু প্রেষণা তত্ব হল : H. Theory Z , I. Argyris’s Theory, J. Vroom’s Expectancy Theory, K. Porter and Lawler’s Expectancy Theory ইত্যাদি ।
  2. চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্ব (Need Hierarchy Theory) এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ আমেরিকান মনোবিদ Abraham Harold Maslow 1943 সালে “A Theory of Human Motivation” নামক গবেষণাপত্রে “চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের” প্রস্তাব করেন ।
  3. মাসলো কোন গ্রন্থে তার প্রস্তাবিত “চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের” সম্পূর্ণ ব্যখ্যা করেন ?
    উঃ 1954 সালে প্রকাশিত “Motivation and Personality” নামক গ্রন্থে মাসলো তার “চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের” সম্পূর্ণ ব্যখ্যা করেন ।
  4. মাসলো তার তত্বে ব্যক্তির চাহিদাকে কিভাবে উপস্থাপন করেছেন ?
    উঃ মাসলো তার তত্বে ব্যক্তির চাহিদাকে পিরামিডের আকারে উপস্থাপন করেছেন
  5. মাসলোর চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের পিরামিডে কয়টি স্তর রয়েছে ?
    উঃ মাসলোর চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের পিরামিডে পাঁচটি স্তর রয়েছে, ভূমি থেকে ক্রমানুসারে স্তরগুলি হল :- i. শরীরবৃত্তীয় চাহিদা (Physiological Need), ii. নিরাপত্তার চাহিদা (Safety Need), iii) ভালবাসা ও একাত্মতার চাহিদা (Needs for Love and Esteem), iv. আত্মসম্মানের চাহিদা (Need for Respect) এবং v. আত্ম প্রতিষ্ঠার চাহিদা (Needs for Self Actualisation) ।
  6. মাসলোর চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের প্রথম স্তর অনুযায়ী শরীরবৃত্তীয় চাহিদা গুলি কিকি ?
    উঃ মাসলোর চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্বের প্রথম স্তর অনুযায়ী শরীরবৃত্তীয় চাহিদা গুলি হল – জল, বাতাস, আলো, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, নিদ্রা ইত্যাদি ।
  7. মাসলোর পিরামিডের কোন স্তরগুলিকে মাসলো “Deficiency Needs” বা “D-Needs” হিসাবে উল্লেখ করেছেন ?
    উঃ মাসলো তার পিরামিডের প্রথম চারটি স্তরকে একত্রে “Deficiency Needs” বা “D-Needs” হিসাবে উল্লেখ করেছেন, কারণ এই চাহিদাগুলো না মিটলে ব্যক্তি প্রকাশ না করলেও সে নিজে চিন্তাগ্রস্ত ও উত্তেজক অবস্থায় থাকে ।
  8. “Metamotivation” শব্দের প্রবক্তা কে ?
    উঃ “Metamotivation” শব্দের প্রবক্তা হলেন মাসলো ।
  9. মাসলোর মতানুসারে জীবের কয়টি Metaneeds রয়েছে ?
    উঃ মাসলোর মতানুসারে জীবের Metaneeds রয়েছে 14 টি, এগুলো হল :- i. Wholeness (unity), ii. Perfection (balance and harmony), iii. Completion (ending), iv. Justice (fairness), v. Richness (complexity), vi. Simplicity (essence), vii. Liveliness (spontaneity), viii. Beauty (rightness of form), ix. Goodness (benevolence), x. Uniqueness (individuality), xi. Playfulness (ease), xii. Truth (reality), xiii. Autonomy (self-sufficiency), xiv. Meaningfulness (values) ইত্যাদি ।
  10. মাসলোর তত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তার চাহিদাগুলি কিকি ?
    উঃ মাসলোর তত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তার চাহিদাগুলি হল :- সুরক্ষা, অস্তিত্ব, ভয় থেকে মুক্তি, উদ্বেগহীনতা, সংহতি, সুষ্পষ্টতার চাহিদা ইত্যাদি ।
  11. শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চাহিদা পূরনের জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ?
    উঃ বর্তমানে স্কুল শিক্ষাব্যবস্থায় বিভিন্ন রাজ্য সরকার শিশুদের বই, পোশাক, যুতো বিনামূল্যে প্রদান করে থাকে এবং খাদ্য সুরক্ষা অনুযায়ী মধ্যাহ্ন আহার (Mid-day Meal) এর ব্যবস্থা রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চাহিদাগুলো পূরণ করে ।
  12. কোন পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভালোবাসা ও একাত্মতার প্রেষণার বিকাশ আরম্ভ হয় ?
    উঃ শিক্ষার্থীদের জীবনে সামাজিক চেতনা আরম্ভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসা ও একাত্মতার প্রেষণার বিকাশ আরম্ভ হয় । পিতামাতা ও শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ এই চাহিদা পূরণে প্রধান হোতা ।
  13. আমাদের প্রত্যেকের নিজের যোগ্যতা সমন্ধে ধারণার প্রেক্ষিতে কোন চাহিদার সৃষ্টি হয় ?
    উঃ আমাদের প্রত্যেকের নিজের যোগ্যতা সমন্ধে ধারণার প্রেক্ষিতে সৃষ্ট চাহিদা হল – আত্মশ্রদ্ধা বা আত্মসম্মানের চাহিদা । এই চাহিদা ব্যক্তির আত্মসচেতনতাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে এবং ব্যক্তির মধ্যে আত্মশ্রদ্ধার প্রেষণা গড়ে তোলে ।
  14. আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা কোন বয়সে সর্বাধিক হয় ?
    উঃ মাসলোর তত্ব অনুযায়ী পিরামিডের সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা । এই ধরনের প্রেষণার গুরুত্ব কৈশোর অবস্থায় সর্বাধিক । এক্ষেত্রে শিক্ষক/শিক্ষিকার কর্তব্য হল শিক্ষার্থীদের আচরণ অনুধাবন করা এবং তাদেরকে আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহিত করা ।
  15. মাসলোর পিরামিড অনুসরণে শিক্ষক/শিক্ষিকার কর্তব্য কী ?
    উঃ মাসলোর পিরামিডের চাহিদার ক্রমপর্যায় নিরীক্ষণ করে বলা যায় কোন একটি চাহিদার পরিতৃপ্তি না হলে শিক্ষার্থীর শিক্ষা ব্যহত হয় । ফলে ব্যক্তি তার মূল লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না । তাই শিক্ষক/শিক্ষিকা বা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হল এমন শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা যাতে শিক্ষার্থীর ক্রমপর্যায়ভিত্তিক চাহিদার পূরণ ঘটিয়ে প্রেষণাগুলিকে সক্রিয় করে তোলা সম্ভব হয় ।
  16. Motivation Hygiene Theory এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ Motivation Hygiene Theory এর প্রবক্তা হলেন আমেরিকান মনোবিদ Frederick Irving Herzberg.
  17. Motivation Hygiene Theory কখন প্রবর্তিত হয় ?
    উঃ Herzberg 1968 সালে প্রকাশিত তার “The Motivation- Hygiene Concept and Problems of Manpower ” নামক গ্রন্থে ধারণাটির প্রবর্তন করেন । এটি একটি দ্বি-উপাদান তত্ব ।
  18. Motivation Hygiene Theory এর উপাদান দুটি কিকি ?
    উঃ Motivation Hygiene Theory এর প্রধান উপাদান দুটি হল – i. Motivators :- এখানে প্রেরণা প্রদায়ক হিসাবে কঠিন কাজ, ব্যক্তির সাফল্যের প্রতি আকাঙ্ক্ষা ও দ্বায়িত্ব, গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ করার সুযোগ, নিয়োগাত্মক কর্ম পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ii. Hygiene factors :- Hygiene factors হিসাবে হার্জবার্গ আত্মমর্যাদা, কাজের শর্ত, পারিশ্রমিক, কাজের স্থায়িত্ব, কর্মসংস্থান ইত্যাদির উপর গুরুত্ব দিয়েছেন ।
  19. হার্জবার্গ তার দ্বি-উপাদান তত্বে কয়টি সম্ভাব্য সংমিশ্রণের (Possible Combinations) কথা উল্লেখ করেন ?
    উঃ হার্জবার্গ তার দ্বি-উপাদান তত্বে চারটি সম্ভাব্য সংমিশ্রণের কথা উল্লেখ করেন, যথাঃ A. উন্নত স্বাস্থ্যবিধি + উচ্চ প্রেষণা (High Hygiene + High Motivation), B) উন্নত স্বাস্থ্যবিধি + নিম্ন প্রেষণা (High Hygiene + Low Motivation), C) নিম্ন স্বাস্থ্যবিধি + উচ্চ প্রেষণা (Low Hygiene + High Motivation) এবং D) নিম্ন স্বাস্থ্যবিধি + নিম্ন প্রেষণা (Low Hygiene + Low Motivation)
  20. কিসের ভিত্তিতে হার্জবার্গ তার দ্বি-উপাদান তত্বের অবতারণা করেন ?
    উঃ কর্মক্ষেত্রে মাসলোর চাহিদা ক্রমপর্যায় এর ভিত্তিতে পিটসবার্গ শিল্পাঞ্চলে 200 জন ইঞ্জিনিয়ার এবং হিসাব রক্ষকের উপর পরীক্ষা চালিয়ে হার্জবার্গ তার দ্বি-উপাদান তত্বের অবতারণা করেন ।
  21. Need theory বা Three Needs Theory এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ আমেরিকান মনোবিদ David Clarence McClelland মানব প্রেষণা তত্ব (Human Motivation Theory) হিসাবে 1961 সালে প্রকাশিত তার “The Achieving Society” নামক গ্রন্থে Need theory বা Three Needs Theory এর প্রবর্তন করেন ।
  22. ম্যাকল্যাল্যান্ড এর ত্রি-চাহিদা তত্বের চাহিদাগুলি কিকি ?
    উঃ ম্যাকল্যাল্যান্ড এর ত্রি-চাহিদা তত্বের চাহিদাগুলি হল i. কৃতিত্ব বা সাফল্য (Achievement), ii. অন্তর্ভুক্তি বা সংযুক্তিকরণ (Affiliation), এবং iii. ক্ষমতা বা শক্তি (Power) ।
  23. শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রেষণা সৃষ্টির জন্য ম্যাকল্যাল্যান্ড কয়টি কৌশলের উল্লেখ করেছেন ?
    উঃ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রেষণা সৃষ্টির জন্য ম্যাকল্যাল্যান্ড 12 টি কৌশলের উল্লেখ করেছেন, যথাঃ i. লক্ষ্য স্থিরকরণ (Setting Goals), ii. কারণ নির্ণয় (Giving Reasons), iii. প্রেষণা সৃষ্টিকারী মানসিকতার শিক্ষা (Teaching thoughts that motivate), iv. চিন্তাকে কার্যকরী করা (Relating thoughts to action), v. জীবনের সঙ্গে পাঠ্য বিষয়ের সম্পর্ক স্থাপন (Relate course to life), vi. পাঠোন্নতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ (Keep a record of progress), vii. শিক্ষার্থীদের উষ্ণ সহযোগিতা (Wormth support of pupils), viii. উত্তম পরিবেশের ব্যবস্থা করা (Proved good environment), ix. সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সৃষ্টি করা (Deal with cultural value), x. শিক্ষার্থীকে দায়বদ্ধ করা (Get commitment from the learners), xi. উন্নতি প্রদর্শন (Demonstration progress) এবং xii. দল সচলতার প্রয়োগ করা (Use group dynamics) ইত্যাদি ।
  24. ম্যাকল্যাল্যান্ড ত্রি-চাহিদার ভিত্তিতে যে গবেষণা করেন তা কখন প্রকাশিত হয় ?
    উঃ ত্রি-চাহিদার ভিত্তিতে ম্যাকল্যাল্যান্ড এর গবেষণার ফল 1977 সালে “Power is the Great Motivator” নামক আর্টিকেলে প্রকাশিত হয়, যেখানে দেখা যায় 86% জনসংখ্যা এই তিন ধরণের প্রেরণার মধ্যে একটি, দুটি বা তিনটিতেই প্রভাবিত ।
  25. ম্যাকল্যাল্যান্ড এর ত্রি-চাহিদা তত্বের ভিত্তি কি ছিল ?
    উঃ আমেরিকান মনোবিদ Henry Alexander Murray এর কাজের ভিত্তিতে ম্যাকল্যাল্যান্ড The Need for Achievement (N-Ach); The Need for Affiliation (N-Aff); এবং The Need for Power (N-Pow) এই তিনটি চাহিদার ভিত্তিতে তত্বটি উপস্থাপন করেন ।
  26. “Theory X and Theory Y” প্রথম কে ব্যখ্যা করেন ?
    উঃ আমেরিকান ম্যানেজমেন্ট বিশারদ Douglas Murray McGregor 1960 সালে প্রকাশিত তার “The Human Side of Enterprise” নামক গ্রন্থে “Theory X and Theory Y” নামক তত্বের প্রথম ব্যখ্যা প্রদান করেন । তার এই তত্ব McGregor’s Participation Theory নামেও পরিচিত ।
  27. Weiner তার কারণ নির্দেশক তত্ব (Attribution Theory) কখন উপস্থাপন করেন ?
    উঃ আমেরিকান সামাজিক মনোবিদ Bernard Weiner 1992 সালে প্রকাশিত তার “Human Motivation: Metaphors, Theories and Research” নামক গ্রন্থে কারণ নির্দেশক তত্ব (Attribution Theory) টি উপস্থাপন করেন ।
  28. ওয়াইনারের কারণ নির্দেশক তত্ব কয়টি মৌলিক ধারণার উপর নির্ভরশীল ?
    উঃ ওয়াইনারের কারণ নির্দেশক তত্ব তিনটি মৌলিক ধারণার উপর নির্ভরশীল, যথাঃ ব্যক্তি আচরণ, ব্যক্তির সাফল্য বা ব্যর্থতার কারণ নির্ণয় এবং সাফল্য বা ব্যর্থতার কারণের ভিত্তিতে পরবর্তী আচরণে প্রভাব ।
  29. ওয়াইনার সাফল্য বা ব্যর্থতার কয়টি কারণের উল্লেখ করেছেন ?
    উঃ ওয়াইনার তার তত্বে সাফল্য বা ব্যর্থতার 4 টি কারণের উল্লেখ করেছেন, যথাঃ i. ক্ষমতা (Ability), ii. প্রচেষ্টা (Efforts), iii. কাজের কাঠিন্যতা (Task Difficulty) এবং ভাগ্য (Luck) ।
  30. ওয়াইনার তার তত্বে সাফল্য বা ব্যর্থতার কারণ হিসাবে ক্ষমতা বলতে কি বুঝিয়েছেন ?
    উঃ ওয়াইনার তার তত্বে সাফল্য বা ব্যর্থতার কারণ হিসাবে ক্ষমতা বলতে বুঝিয়েছেন – কোন ব্যক্তি কোন কাজে সফল হলে সে ওই কাজে সক্ষম বলে মনে করে এবং তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় ফলে সাফল্য বৃদ্ধি পেতে থাকে । এবং কোন ব্যক্তি কোন বিষয়ে বারবার ব্যর্থ হলে সেই বিষয়ে ভীতি জন্মায় এবং ঐ ভীতি অন্য বিষয়েও সঞ্চারিত হয় ফলে ব্যর্থতা বৃদ্ধি পেতে থাকে । ওয়াইনারের মতে ‘সাফল্যই হল পরবর্তী সাফল্যের স্তম্ভ’ ।
  31. ওয়াইনার তার তত্বে প্রচেষ্টা বলতে কি বুঝিয়েছেন ?
    উঃ সাফল্য বা ব্যর্থতার পিছনে অন্তর্হিত রয়েছে প্রচেষ্টা । কিন্তু কোন বিষয়ে সাফল্য পেতে কিরকম বা কতটা প্রচেষ্টা প্রয়োজন তা শিক্ষার্থী বুঝতে পারে না । কোন প্রচেষ্টা দ্বারা শিক্ষর্থী সফল হলে তা তার কাছে নির্ণায়ক প্রচেষ্টা এবং একই প্রচেষ্টা করেও ব্যর্থ হলে সে প্রচেষ্টায় ঘাটতি অনুভব করে । অর্থাৎ প্রচেষ্টার মূল্যায়ন হয় সাফল্য বা ব্যর্থতার নিরিখে বা সাফল্য বা ব্যর্থতা আসে প্রচেষ্টার কারণে ।
  32. ওয়াইনার তার তত্বে কাজের কাঠিন্যতা বলতে কি বুঝিয়েছেন ?
    উঃ কাজের সাফল্য ও ব্যর্থতার নিরিখে কাজের কাঠিন্যতার মান নির্ধারিত হয় । যে কাজে যতো বেশি ব্যক্তি সফল সেই কাজ তত সহজ এবং যে কাজে যতো বেশি ব্যক্তি ব্যর্থ সেই কাজ তত কঠিন । শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত কাজে সফলতার সম্ভাবনা অধিক হলে কাজের প্রতি প্রেষণাও অধিক হয় । তাই ক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কাজ দিতে হবে যাতে সে সফল হয় এবং ঐ সফলতার প্রভাব পরবর্তী কাজের প্রেষণা হিসাবে কার্যকর হয় । এই ধারণাই ওয়াইনার তত্বে কাজের কাঠিন্য হিসাবে প্রতিফলিত হয়েছে ।
  33. ওয়াইনার তার তত্বে ভাগ্য বলতে কি বুঝিয়েছেন ?
    উঃ ওয়াইনার তার তত্বে সাফল্য বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ভাগ্যের উপরেও গুরুত্ব দিয়েছেন । কোন পরীক্ষার্থী ক্ষমতা ও প্রচেষ্টার প্রয়োগের পরেও ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে ব্যর্থতাকে ভাগ্যের উপর ন্যাস্ত করে । এরুপ অবস্থায় সাফল্য বা ব্যর্থতার সঙ্গে প্রেষণার কোন সম্পর্ক থাকে না ।
  34. শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ভাগ্যের পরিবর্তে প্রেষণার সঞ্চারে শিক্ষক/শিক্ষিকার কর্তব্য কি ?
    উঃ শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্য বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে ভাগ্যের পরিবর্তে প্রেষণার সঞ্চারে শিক্ষক/শিক্ষিকাকে এমনভাবে পথ প্রদর্শন করতে হবে যাতে শিক্ষার্থী তার প্রচেষ্টা এবং ক্ষমতার মধ্যে সংযোগস্থাপনের মধ্য দিয়ে সাফল্য লাভ করতে পারে । শিক্ষক/শিক্ষিকাকে লক্ষ্য রাখতে হবে কোন ব্যর্থ শিক্ষার্থী প্রেষণার অভাবে যেন সাফল্য বা ব্যর্থতাকে ভাগ্যের উপর ছেড়ে না দেয় । শিক্ষার্থীর মনে ধনাত্মক প্রেষণা সঞ্চার করে তাদের বোঝাতে হবে সাফল্যের চাবিকাঠি হল সক্ষমতা ও প্রচেষ্টা এবং এর ফলেই ভাগ্য নির্ধারিত হয় ।
  35. মনোবিদ্যায় Psychodynamic Approach এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ অস্ট্রিয়ান মনোবিদ Sigismund Schlomo Freud মনোবিদ্যায় Psychodynamic Approach এর প্রবর্তন করেন ।
  36. ফ্রয়েড এর প্রেষণা সংক্রান্ত মনোবিশ্লেষণ তত্ব (Freud’s Psychoanalytic Theory of Motivation) কখন প্রবর্তিত হয় ?
    উঃ ফ্রয়েড 1901 সালে প্রকাশিত তার “The Psychopathology of Everyday Life” নামক গ্রন্থে প্রেষণা সংক্রান্ত মনোবিশ্লেষণ তত্বটি উপস্থাপন করেন ।
  37. ফ্রয়েড প্রদত্ত তত্বে অবচেতন প্রেষণার (Unconscious Motivation) এর কয়টি উপাদান রয়েছে ?
    উঃ তিনটি, যথাঃ ইদম (Id), অহং (Ego) এবং অধিসত্তা (Super-ego) । এই তিনটি উপাদানের পারষ্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় ব্যক্তিত্ব গঠিত হয় ।
  38. ফ্রয়েড এর মতে কোথা থেকে প্রেষণার সঞ্চার হয় ?
    উঃ সাধারণ জৈবিক শক্তি থেকে । এরুপ শক্তি সৃজনাত্মক এবং ধংসাত্মক এই দুই প্রকারের হয়ে থাকে । তিনি ধংসাত্মক শক্তিকে ‘Thantos’ এবং সৃজনাত্মক শক্তিকে ‘Eros’ নামে অভিহিত করেন ।
  39. অবচেতন প্রেষণার তিনটি উপাদানের পারষ্পরিক সম্পর্ক কি ?
    উঃ অবচেতন প্রেষণায় অধিসত্তা অহং এর মধ্যে নীতিবোধ জাগ্রত করে ইদমের অসামাজিক আচরণগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করে আদর্শ ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায় ।
  40. ফ্রয়েডের তত্ব অনুযায়ী ব্যক্তিত্বে ভারসাম্য আনার জন্য অহং কয় প্রকার প্রতিরক্ষা কৌশল ব্যবহার করে ?
    উঃ চার প্রকার, যথাঃ ক্ষতিপূরণ (Compensation), প্রক্ষেপণ (Projection), সংবন্ধন (Regression) এবং অবদমন Repression) ।
  41. জন্মের পর শিশুর আচরণ ফ্রয়েডের অবচেতন প্রেষণার কোন উপাদান দ্বারা পরিচালিত হয় ?
    উঃ ইদমের দ্বারা, যতো বয়স বাড়তে থাকে তত অহম স্পষ্ট হতে থাকে ।
  42. “Instinct Theory of Motivation” এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ যুক্তরাজ্যের মনোবিদ William McDougall 1913 সালে প্রকাশিত তার “Body and Mind: A History and a Defense of Animism” নামক গ্রন্থে “Instinct Theory of Motivation” এর সূচনা করেন । তার এই তত্ব Mcdougall’s Theory of Motivation বা ম্যাকডুগালের প্রেষণা তত্ব নামেও পরিচিত ।
  43. ম্যাকডুগাল কয়টি সহজাত প্রবৃত্তির কথা উল্লেখ করেন ?
    উঃ ম্যাকডুগাল 14 টি সহজাত প্রবৃত্তির কথা উল্লেখ করেন এবং তার সঙ্গে একটি করে প্রক্ষোভ এর পরিচয় ঘটান ।
  44. ম্যাকডুগালের মতে প্রবৃত্তির কয়টি দিক রয়েছে ?
    উঃ তিনটি, যথাঃ জ্ঞানমূলক প্রবৃত্তি, অনুভূতিমূলক প্রবৃত্তি এবং ক্রিয়ামূলক প্রবৃত্তি ।
  45. ম্যাকডুগালের তত্বের মূল ভিত্তি কি ?
    উঃ ম্যাকডুগালের তত্বের মূল ভিত্তি হল ‘সমস্ত আচরণের মূল উৎস হল সহজাত প্রবৃত্তি’ এই দৃষ্টিভঙ্গি । ম্যাকডুগালের মতে আমরা কি করি এবং কেন করি তা প্রবৃত্তিজাত আচরণের দ্বারা ব্যখ্যা করা সম্ভব । এই আচরণের একটা বড়ো অংশ নিয়ন্ত্রিত হয় আমাদের প্রবৃত্তি এবং তার সঙ্গে যুক্ত প্রক্ষোভের সঙ্গে ।
  46. ম্যাকডুগালের মতে পলায়ন প্রবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত প্রক্ষোভ টি কি ?
    উঃ ম্যাকডুগালের মতে পলায়ন প্রবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত প্রক্ষোভ টি হল ‘ভয়’ ।
  47. ‘নির্দিষ্ট প্রাণীর নির্দিষ্ট আচরণ, প্রতিবর্ত প্রক্রিয়া ইত্যাদির দিক থেকে পার্থক্য দেখা যায়’ – ম্যাকডুগালের তত্বে এই নতুন মাত্রা কে সংযুক্ত করেন ?
    উঃ অস্ট্রিয়ান Ethologist Konrad Zacharias Lorenz এবং ডাচ Ethologist Nikolaas Tinbergen ম্যাকডুগালের তত্বে উক্ত মাত্রাটি সংযুক্ত করেন ।
  48. “Theory Z” এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ ব্রিটিশ ম্যানেজমেন্টবিদ Lyndall Fownes Urwick “Theory Z” এর প্রবক্তা । এই তত্বটি উচ্চ স্তরের ম্যানেজমেন্ট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
  49. “Theory of Action” এর প্রবক্তা কে ?
    উঃ গ্রিক ব্যবসায়িক তত্ববিদ Chris Argyris “Theory of Action” এর প্রবক্তা ।
  50. Vroom প্রেষণা সংক্রান্ত তার “Expectancy Theory” কখন প্রকাশ করেন ?
    উঃ কানাডিয়ান ব্যবসায়িক মনোবিদ Victor Harold Vroom 1970 সালে তার “Management and Motivation” নামক গ্রন্থে “Expectancy Theory” নামক তার তত্ব প্রকাশ করেন ।

JOIN OUR NEW COURSE, MGI TET ONLINE COACHING

 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!